

















গল্প এখনো বাকী আছে! সবার সাথে শেয়ার করে ভাইরাল করে দিন! যতো তাড়াতাড়ি ভাইরাল হলে, ততো তাড়াতাড়ি গল্পের পরের অংশ আসবে..
ডিভোর্সি নারী নীলিমা তার চাকরি বাঁচাতে অফিসের বসের সাথে অবৈধ মেলামেশা করতে বাধ্য হয়! আজকের কমিক্স শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য..
গল্পের চরিত্র: নীলিমা, রতন চৌধুরী, স্বর্ণা
মূল গল্প:
নীলিমা: স্যার, দয়া করে আমাকে চাকরি থেকে বের করে দিবেন না! খুব বিপদে পরে যাবো!
রতন: তাহলে আমাকে খুশি করার ব্যবস্থা করো.. যদি চাকরি বাঁচাতে চাও!!
নীলিমা: স্যার, আপনি আমার বাবার বয়সী একজন মানুষ হয়ে কিভাবে আমাকে এমন কু-প্রস্তাব দিতে পারেন??
রতন: বাবার বয়সী তো কি হয়েছে? বাবা তো না..
নীলিমা: আমার ছোট একটা ছেলে আছে, চাকরিটা চলে গেলে আমরা মা ছেলে না খেয়ে মরে যাবো..
রতন: আমি জানি তোমার ছেলে আছে, কিন্তু স্বামী নেই! আমি তো তোমার স্বামীর জায়গাটাই নিতে চাচ্ছি..
রতন: এখনো সময় আছে, আমার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যাও..
নীলিমা: দয়া করুন স্যার, আমি আপনার সাথে সেক্স করতে পারবো না..
নীলিমা: এইসব নোংরা কাজ করা আমার পক্ষে সম্ভব না..
রতন: ঠিকাছে, তাহলে আজকেই এই অফিসে তোমার শেষ দিন..
রতন: তবে যদি তোমার মতামত পরিবর্তন হয়, তাহলে চাকরিটাও বেঁচে যাবে, সেই সাথে বেতন ও বাড়ানো হবে!!
নীলিমা: আমি সম্মানের সাথে চাকরি করতে চাই, শরীর বিক্রি করে না..
রতন: যখন না খেয়ে থাকবে তখন বুঝবে, সম্মানের দাম বেশি নাকি টাকার দাম বেশি..
স্বর্ণা: স্যার.. আমি কি ভেতরে আসতে পারি?
রতন: আরে স্বর্ণা.. এসো, এসো.. ভেতরে এসো.. মনে-মনে তোমাকেই খুঁজছিলাম..
স্বর্ণা: স্যার আমার ১ সপ্তাহ ছুটি লাগবে.. বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে যাবো..
রতন: আরে কোনো সমস্যা নেই! দরকার হলে আরো বেশি ছুটি নাও.. তবে আজ রাতে কিন্তু আমাকে সময় দিতে হবে..
স্বর্ণা: রাতের অপেক্ষা না করে আমরা এখনই শুরু করতে পারি..
স্বর্ণা: দরজাটা বন্ধ করে দেই.. তারপর শুধু আপনি আর আমি..
রতন: চলো তাহলে আজ দিনের আলোতে সেক্স করি..
রতন: তুমি এখনো কেনো দাঁড়িয়ে আছো? আমরা কিভাবে সেক্স করি সেটা দেখতে চাও নাকি!!
নীলিমা: স্বর্ণা, তুই একটু রুমের বাইরে যা.. আর যাওয়ার সময় দরজাটা লাগিয়ে দিয়ে যাবি..
স্বর্ণা: আমার বাইরে যাওয়ার কি দরকার! তুই ও যদি সেক্স করতে চাস, আমার সাথে যোগ দিতে পারিস!!
রতন: আজকে কি তাহলে একসাথে দুজনের সাথে করতে হবে নাকি!! হাঁ হাঁ হাঁ..
নীলিমা: ঠিকাছে, আমিও দেখতে চাই, আপনার মতো একজন বয়স্ক মানুষ কিভাবে দুজন নারীকে একসাথে সামলায়..
নীলিমা: আমাদের দুজনকে একসাথে চালানোর মতো শক্তি আছে তো আপনার মেশিনে??
রতন: আমার মেশিনের শক্তি দেখতে গিয়ে আবার ক্লান্ত হয়ে যেও না.. একসাথে দুইটা সুন্দরী মাল পেয়েছি.. আজ দারুণ খেলা হবে..
স্বর্ণা: স্যার, দেখুন তো, জামা-কাপড় খোলার পরে কাকে বেশি সুন্দর লাগছে..
রতন: জানি না কেনো আজকে নীলিমা আমাকে অনেক বেশি আকর্ষণ করছে..
রতন: নীলিমা.. তোর মাখনের মতো শরীরটা আমার ভেতরে আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে..
রতন: তোকে আদর করে খুব মজা পাচ্ছি রে নীলিমা..
নীলিমা: স্যার.. দয়া করে এবার থামুন.. আর যে পারছি না..
স্বর্ণা: হাঁ হাঁ হাঁ.. এই বয়স্ক লোকটার চাপ সামলাতে গিয়েই তো দেখছি তুই ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছিস রে নীলিমা.. খেলা তো মাত্র শুরু হয়েছে..
স্বর্ণা: নীলিমার সাথে আর কতো খেলবেন স্যার, এবার একটু আমার দিকে তাকান..
রতন: আর ২মিনিট দে স্বর্ণা.. এখুনি রস বের হয়ে যাবে মনেহচ্ছে.. নীলিমার রসালো শরীরটা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে..
রতন: স্বর্ণা, এবার তোর পালা.. ২য় রাউন্ড তোর সাথে খেলবো..
স্বর্ণা: আহহ.. স্যার.. পুরোটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিন.. খুব মজা লাগছে.. আপনার জিনিসটা বিশাল বড়..
নীলিমা: আমার সাথে করার পরেও এই বুইড়া আবার স্বর্ণার সাথে কিভাবে করছে! এ কি মানুষ নাকি রোবট!!
স্বর্ণা: আহহ.. খুব মজা লাগছে স্যার.. আর জোরে জোরে করুন..
রতন: তোর আইডিয়া টা দারুণ ছিলো স্বর্ণা.. দ্বিগুণ মজা পেয়েছি..
রতন: আর, হ্যাঁ.. নীলিমা, তোমার চাকরি নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না..
নীলিমা: স্যার, আমি কি আপনার সাথে একাকী কথা বলতে পারি??
স্বর্ণা: স্যার, নীলিমা মনেহয় আমাকে চলে যেতে বলছে.. আমি এখন যাই তাহলে, এই ১ সপ্তাহ নীলিমাই আপনার খেয়াল রাখবে..
স্বর্ণা: ১ সপ্তাহ আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে চুটিয়ে রোম্যান্স করবো.. আমি যাই তাহলে, স্যারের খেয়াল রাখিস, নীলিমা..
নীলিমা: স্যারকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না.. তুই তোর বয়ফ্রেন্ডের কথা ভাব..
স্বর্ণা: নতুন জগতে স্বাগতম.. এখন শুধু উন্নতি আর উন্নতি..
রতন: কি নীলিমা? কোনো সমস্যা??
নীলিমা: আমরা কি ৩য় রাউন্ড খেলতে পারি?? আসলে আমার এখনো মন ভরেনি..
রতন: অফিস ছুটির পরে দেখা করো.. তখন তৃতীয় রাউন্ড খেলা হবে..
নীলিমা: ঠিকাছে, স্যার..
রতন: তুমি আজকে আমাকে অনেক অবাক করেছো.. ভাবতে পারিনি তুমি আমার প্রস্তাবে রাজি হবে..
নীলিমা: আরো নতুন চমকের জন্য অপেক্ষা করুন স্যার.. অফিস ছুটির পরে দেখা হচ্ছে তাহলে..