[New] দুই বয়ফ্রেন্ডের সাথে এক বিছানায় ১৪ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস উদযাপন!

আমার দুই বয়ফ্রেন্ড আজকে আমাকে একই জায়গায় দেখা করতে বলেছে!! মনেহচ্ছে আজকে আমি ধরা পরে যাবো..

আসলে.. আকাশ আর শুভ.. ওদের দুজনের সাথেই প্রেম করছি আমি!! একদিন আকাশকে সময় দিতাম.. আরেকদিন শুভকে সময় দিতাম..

কিন্তু আজকে তো ১৪ই ফেব্রুয়ারি.. ভালোবাসা দিবস.. আমি জানতাম আজকে ওদের দুজনের সাথেই আমার দেখা করতে হবে..

তাই আমি প্ল্যান করেছিলাম আজকে সকালে আকাশকে সময় দিবো.. আর বিকালে শুভকে সময় দিবো..

কিন্তু আকাশ আমার প্ল্যানে পানি ঢেলে দিয়েছে.. ও বলেছে.. ও নাকি আজকে বিকালে আমাকে একটা স্পেশাল সারপ্রাইজ দিবো..

এদিকে শুভ তো আমাকে আগেই বলে রেখেছিলো যে ও নাকি আজকে বিকালে আমার জন্য একটা সারপ্রাইজ প্ল্যান করেছে..

এখানেই শেষ না!! আকাশ আমাকে যেখানে দেখা করতে বলেছে.. শুভ ও আমাকে ঠিক একই জায়গায় দেখা করতে বলেছে!!

এখন আমি তো বিপদে পরে গেছি!! কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না..

ভাবছি.. প্রথমে শুভর সাথে দেখা করবো.. আর আকাশকে বলবো বাসা থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাইনি.. এই অযুহাত দিয়ে আকাশের সাথে কাল দেখা করবো..

বিকালে সুন্দর ভাবে সাজগোজ করে বাসা থেকে বেরিয়ে পরলাম শুভর সাথে দেখা করার জন্য..

এদিকে আকাশ ও আমাকে ফোন করেই যাচ্ছে.. ম্যাসেজ দিয়েই যাচ্ছে.. কিন্তু আকাশকে কোনো রিপ্লাই দিচ্ছি না.. পরে ওকে বলবো যে আম্মু আমার মোবাইল নিয়ে গিয়েছিলো!! আর বাসা থেকেও বের হতে দেয়নি!!

যাই হোক.. শুভ আমাকে যেখানে দেখা করতে বলেছিলো আমি ঠিক সেখানেই চলে এসেছি..

কিন্তু এখানে এসে তো আমার পুরাই অবাক!! শুভ আর আকাশ একসাথে দাঁড়িয়ে আছে!!

এটা কিভাবে সম্ভব!! ওরা দুজন একসাথে কিভাবে?? মনেহচ্ছে আজকে আমি ঠিকই ধরা পরে যাবো!!

ওদের দুজনকে দেখে ভয়ে আমি আর ওদের সামনেই যাচ্ছি না!! দূরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সোজা বাসায় চলে যাওয়ার কথা ভাবছি..

কিন্তু দূর থেকে আমাকে দেখে ওরা দুজনই আমার সামনে এলো.. ওদের দুজনের মুখেই মুচকি হাসি!!

ওদের মুখে এই হাসি দেখে তো আমার খুব ভয় করছে!!

আমাকে ভয় পেতে দেখে আকাশ হাসতে হাসতে বললো, “এতো ভয় পাওয়ার কিছুই নেই.. তুই যে আমাদের দুই বন্ধুর সাথে ডাবল টাইমিং করছিস সেটা আমরা আগে থেকেই জানি!!”

শুভ বললো, “এতোদিন আমাদের দুজনের সাথে প্রেম করেছিস.. আজকে তো তোকে আমাদের দুজনকেই খুশি করতে হবে!!”

আমি ওদের দুজনের কাছে হাত জোর করে মাফ চেয়ে বললাম, “প্লিজ.. আমাকে মাফ করে দাও.. আমি তোমাদের দুজনের সাথে অনেক অন্যায় করেছি.. আমি তোমাদের দুজনের জীবন থেকেই চলে যাবো.. দয়া করে আমাকে মাফ করে দাও!!”

শুভ বললো, “এভাবে চলে যাওয়ার কথা বললে তো আমরা মেনে নিবো না.. আজকে তোকে আমাদের দুই বন্ধুকেই খুশি করতে হবে.. নয়তো আমাদের কাছে তোর যতো ছবি আছে সব আমরা ভাইরাল করে দেবো..”

ওদের দুজনের কথা শুনে আমার খুবই ভয় লাগছে!! ওরা দুজনে যদি সত্যিই আমার ছবি ভাইরাল করে দেয় তাহলে তো আমার সর্বনাশ হয়ে যাবে!!

ওদের দুজনকে হাত জোর করে বললাম, “তোমার দুজন আমাকে যেই শাস্তি দিবে আমি মাথা পেতে নিবো..”

আকাশ বললো, “আমরা দুই বন্ধু তো তোকে কোনো শাস্তি দিতে চাই না.. তোকে শুধু আদর করতে চাই..”

তারপর ওরা দুজন আমাকে ভয় দেখিয়ে জোর করে একটা হোটেলের ভেতরে নিয়ে যায়!! যখন ওরা দুজন আমাকে হোটেলের রুমের ভেতরে নিয়ে আসে তখনই আমি বুঝতে পেরেছি আসলে ওরা কি করতে চাইছে আমার সাথে!!

কিন্তু.. তাই বলে একসাথে দুজনের সাথে করবো!! জানি না কি হতে যাচ্ছে আজকে আমার সাথে!! আমার তো খুব ভয় করছে!!

হোটেল রুমের দরজা বন্ধ করে আকাশ আমার কাছে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো.. আর শুভ ওর পরনের শার্ট আর প্যান্ট খুলতে শুরু করেছে..

শুভ আকাশকে উদ্দেশ্য করে বললো, “এই মেয়ে এতোদিন আমাদের দুই বন্ধুর হৃদয় নিয়ে খেলেছে.. আজকে আমরা দুই বন্ধু ওর সাথে বিছানায় খেলবো..”

ওরা দুজন আমাকে বিছানায় নিয়ে শুইয়ে দিলো.. তারপর আস্তে আস্তে জামা-কাপড় খুলে আমাকে উলঙ্গ করে ফেললো..

শুভ আমার পাছায় একটা জোরে থাপ্পড় মেরে বললো, “মালটার পাছা দেখেছিস?? আমি তো প্রথমে পেছন দিয়েই ঢুকাবো..”

পেছন দিয়ে ঢুকানোর কথা শুনে তো ভয়ে আমার হাত-পা কাঁপতে শুরু করেছে!! এর আগেও আমাদের গ্রামের এক মামাতো ভাই আমার পেছনে দিয়ে ঢুকিয়েছিলো.. অনেক ব্যাথা লাগে..

শুভকে অনেক অনুরোধ করার পরেও ও শুনলো না.. ওর ৫ ইঞ্চি জিনিসটা আমার পেছনে দিয়ে ঢুকিয়ে দিলো..

ব্যাথায় আমি চিৎকার করতে শুরু করলাম!! আকাশ আমার মুখ চেপে ধরে বললো, “একসাথে দুইজনের সাথে প্রেম করে তো খুব মজা নিয়েছিস এতোদিন.. আজকে বুঝবি বিছানায় যখন একসাথে দুই বয়ফ্রেন্ড থাকে তাহলে কেমন মজা লাগে..”

এটা বলেই আকাশ আমার গলা চেপে ধরে ওর ৬ ইঞ্চি জিনিসটা আমার সামনে দিয়ে ঢুকিয়ে দিলো..

একদিকে শুভ পেছনে দিয়ে করছে.. আর অন্যদিকে আকাশ সামনে দিয়ে ঢুকাচ্ছে.. ওরা ক্ষুধার্ত হায়নার মতো তান্ডব চালাচ্ছে আমার উপর..

এভাবে প্রায় ১ ঘন্টা আমার উপর তান্ডব চালানোর পরে ওরা একটু থামলো.. ভেবেছিলাম বেঁচে গেছি.. কিন্ত না.. আকাশ আমাকে চিত করে শুইয়ে আমার পেছন দিয়ে ওর ৬ ইঞ্চি জিনিসটা ঢুকিয়ে দিলো..

ব্যাথায় অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা আমার.. তবুও আকাশ থামছে না.. টানা ১ঘন্টা আমার পেছন দিয়ে করলো..

এরপর শুভ আমাকে টেনে নিজের কাছে নিয়ে গেলো.. ওর ৫ ইঞ্চি জিনিসটা আমার সামনে দিয়ে ঢুকিয়ে দিলো.. এরপর আবার টানা ১ঘন্টা তান্ডব চালায়..

ওরা দুজন মিলে টানা ৩ ঘন্টা আমার সামনে পেছনে দুইদিক দিয়ে করেছে.. আমার অবস্থা এতোটাই খারাপ যে আমি বিছানা থেকে উঠতেই পারছি না.. তবুও ওরা আমার প্রতি একটুও মায়া দেখায়নি..

ওদের কাজ শেষে আমাকে হোটেলের রুমে রেখেই চলে গেছে..

কিছুক্ষন বিশ্রাম নেয়ার পর অনেক কষ্টে আমি হোটেল থেকে বের হই.. তারপর অনেক কষ্টে বাসায় পৌছাই!!

আমার অবস্থা দেখে বাসায় সবাই জিজ্ঞেস করছিলো কি হয়েছে আমার!! সবাইকে বলেছি আমি রাস্তায় পরে গিয়ে কোমরে ব্যাথা পেয়েছি.. যদিও আসল ঘটনা অন্যকিছু.. যা কেউই কোনোদিন জানতে পারবে না..