বন্ধুর মাকে খুশি করলাম টানা ২ঘন্টা পরিশ্রম করে!

আহহহ.. অনেকদিন পরে একটা কচি ছেলের সাথে বিছানা কাঁপিয়ে মনটা অনেক শান্তি লাগছে..

অনেকদিন যাবৎ শুভকে পটানোর চেষ্টা করছিলাম.. অবশেষে আমি সফল হয়েছি..

আমার বয়স ৪০ বছর.. আর শুভর বয়স প্রায় ১৮ বছর.. শুভ আমার ছেলের বন্ধু!! আমার ছেলের সাথে একই কলেজে পড়ে..

শুভ প্রায়ই আমাদের বাসায় আসে আমার ছেলের সাথে group study করার জন্য.. তেমনি আজকেও এসেছে..

কিন্তু আমার ছেলে আজকে বাসায় নেই.. হয়তো ওর গার্লফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে বের হয়েছে.. যদিও আমাকে বলে গেছে যে ও শুভর বাসায় যাচ্ছে.. কিন্তু এদিকে শুভই আমাদের বাসায় এসেছে ওর সাথে দেখা করতে!!

যাই হোক.. আমার ছেলে যে বাসায় নেই সেটা আর আমি শুভকে বলিনি.. ওকে বলেছি শুভ নিজের রুমেই আছে..

শুভ আমার ছেলের রুমে চলে যায়.. আর এদিকে আমিও একটা সুযোগ পেয়ে গেলাম!!

শুভ যখন আমার ছেলের রুমের ভেতরে ঢুকলো.. ওর সাথে আমিও রুমের ভেতরে ঢুকলাম.. তারপর রুমের দরজাটা বন্ধ করে দিলাম!!

রুমের দরজা বন্ধ করাতে শুভ কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো.. ও বললো, “রুমের ভেতরে নেই.. ও কি বাড়িতে নেই??”

আমি বললাম, “না.. বাড়িতে নেই.. কিন্তু তাতে কি হয়েছে!! আমি তো আছি!! আজকে আমরা দুজনে অনেক সুন্দর একটা সময় কাটাবো..”

শুভ বললো, “আন্টি আপনি কি বলছেন আমি কিছুই বুঝতে পারছি না!! আমি এখন যাই..”

আমি বললাম, “কেনো বুঝতে পারছো না শুভ?? আমি তোমার কাছে একটু ভালোবাসা চাই.. এতোদিন অনেক ভাবেই তোমাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি.. কিন্তু তুমি বুঝতে পারোনি..”

শুভ ভয়ে ভয়ে বললো, “আন্টি আপনি আমার বন্ধুর মা.. আপনার সাথে কিভাবে আমি এইসব নোংরা কাজ করতে পারি!!”

আমি শুভর কাছে গিয়ে ওকে আমার বুকে জড়িয়ে ধরে বললাম, “এতো ভয় পাচ্ছো কেনো?? আমাদের মধ্যে যা হবে.. তা সবার কাছে গোপন ই থাকবে..”

শুভ কিছুই বলছে না.. চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে.. তবে এটা আমি বুঝতে পারছি যে শুভকে আমি অর্ধেক রাজি করিয়ে ফেলেছি!!

১ লাখ টাকার একটা বান্ডেল আমি সাথে করেই নিয়ে এসেছিলাম.. ঐ ১ লাখ টাকা শুভর হাতে দিয়ে বললাম.. “এটা রাখো.. আমাকে যদি খুশি করতে পারো তাহলে আরো পাবে..”

টাকাগুলো হাতে পেয়েই শুভর চেহারা অন্যরকম হয়ে গেলো!! মনেহচ্ছে ও রাজি হয়ে গেছে!!

আমি নিজের পরনের জামা এক এক করে খুলতে শুরু করলাম.. আমাকে দেখে শুভও নিজের শার্ট আর প্যান্ট খুলে ফেললো..

আহহহ!! কাজ হয়ে গেছে.. এখন শুধু খেলা হবে…

আমি বিছানায় গিয়ে শুয়ে পরলাম.. শুভ আমার উপরে উঠে ওর ৬ ইঞ্চি ধনটা আমার ভেতরে ঢুকিয়ে দিলো..

আহহহ.. কতোদিন পরে একটা কচি ছেলের সাথে সেক্স করার সুযোগ পেয়েছি.. ভেতর থেকে একটা শান্তি অনুভব করছি!!

প্রথমে শুভ একটু একটু ভয় পাচ্ছিলো.. ওকে বললাম, “তুমি ভয় পেও না.. তোমার যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে আমার সাথে সেক্স করতে পারো.. তাছাড়া বীর্য ভেতরে ছেড়ে দিলেও কোনো সমস্যা হবে না!!”

আমার এই কথা শোনা মাত্রই শুভ পাগলের মতো আমাকে ঠাপাতে শুরু করে..

আহহহ.. শুভর ৬ ইঞ্চি ধনের প্রতিটা ঠাপ যেনো আমার অনেক গভীরে চলে যাচ্ছে.. উফ!! কি যে মজা.. বলে বোঝাতে পারবো না!!

এভাবে টানা ২ ঘন্টা শুভর সাথে সেক্স করি.. টানা ২ ঘন্টা শুভর ৬ ইঞ্চি ধনের তান্ডবে আমার ভেতরে আগুন জ্বলছে!!

অবশেষে শুভ আমার ভেতরে ওর রস ঢেলে দেয়.. উফ!! এতো মজা পেয়েছি আজকে.. এই কচি ছেলেটা যে এতো সুন্দর ঠাপাতে পারবে.. এটা আমি কখনো কল্পনাও করিনি!!

সেক্স করা শেষে আমরা দুজনেই তাড়াতাড়ি নিজেদের জামা পরে নিলাম.. আসলে আমার ছেলের বাসায় আসার সময় হয়ে গেছে..

শুভকে ওর বাসায় পাঠিয়ে দিয়েছি.. আমার মনে তো আজকে খুশির জোয়ার বইছে.. অবশেষে আমার চাহিদা পূরণ করার জন্য কাউকে তো পেয়েছে!!

আসলে আমার স্বামী অনেক বছর আগেই আমাকে আর আমার ছেলেকে ছেড়ে চলে গেছে!! শুনেছিলাম সে নাকি তার অফিসের বসের বউয়ের সাথে পালিয়ে গেছে বিদেশে..

এরপর থেকেই আমি লোক ভাড়া করে নিজের চাহিদা পূরণ করতাম.. কিন্তু এখন তো শুভ আছে..

যদিও শুভ আমার ছেলের বয়সী.. অন্যদিকে আমার ছেলের বন্ধু.. কিন্তু শুভ যেহেতু নিজের ইচ্ছাতেই আমার সাথে সেক্স করতে রাজি হয়েছে.. আশা করি কোনো সমস্যা হবে না!!