আমার অফিসের বসের মতো লুইচ্চা লোক এই জীবনে আর কখনো দেখিনি….
মনেহয় অফিসের এমন কোনো মেয়ে নেই যার সাথে সে আকাম-কুকাম করেনি….
বাড়িতে তার দুইটা বউ আছে…. তবুও এই লোকের মন ভরে না…. অফিসে এসেও মেয়েদের সাথে লুইচ্চামি করে….
অফিসের মেয়েরাও বসকে খুশি করার জন্য সবকিছু করতে রাজি…. কারন বসকে খুশি না রাখলে তো চাকরি থাকবে না….
আজকে অফিসে আসার পরে স্যার আমাকে তার রুমে ডেকে পাঠিয়েছে…. গেলাম স্যারের রুমে….
গিয়ে দেখি স্যার চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে রেখেছে…. আমাকে দেখে স্যার বললো, “এসো স্বর্ণা… এসো…. তোমার জণ্যই অপেক্ষা করছিলাম….”
আমি জিজ্ঞেস করলাম, “স্যার আমাকে ডেকেছেন??? কোনো কাজ ছিলো???”
স্যার বললো, “কাজ তো ছিলো…. আসলে আমার হাঁটুতে অনেক ব্যাথা…. একটু টিপে দিতে পারবে???”
এই লুইচ্চার হাব-ভাব তো সুবিধার মনে হচ্ছে না…. আমাকে দিয়ে হাঁটু টিপাতে চায়, নাকি অন্য কিছু করাতে চায়…..”
কিছুই করার নেই…. চাকরি বাঁচাতে হলে স্যারকে তো খুশি রাখতেই হবে…. আমি স্যারের চেয়ারের সামনে বসে স্যারের হাঁটু টিপে দিতে শুরু করি….
কিছুক্ষন পরে খেয়াল করলাম, স্যারের জিনিসটা একেবারে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে…. মনেহচ্ছে প্যান্ট ছিঁড়ে বের হয়ে যাবে….
স্যার আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো, “আমার জিনিসটাকে একটু ঠান্ডা করার ব্যবস্থা কি করা যায় না?”
এই তো…. আমি তো এই ভয়টা ই পাচ্ছিলাম…. আমি জানতাম এই লুইচ্চা লোক আমার সাথে আকাক-কুকাম করার জন্যই তার রুমে ডেকে নিয়ে এসেছে….
কিছুই করার নেই…. চাকরি বাঁচাতে হলে স্যারকে খুশি তো করতেই হবে…. কিন্তু আমি এই লুইচ্চা বেটার জিনিস আমার ভেতরে ঢুকাতে দিবো না…. তাই একটা বুদ্ধি বের করলাম….
স্যারের প্যান্ট খুলে তার ৪ ইঞ্চি জিনিসটা সোজা আমার মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলাম….
স্যার তো পুরাই অবাক আমার কান্ড দেখে…. স্যার বললো, “আরে… এইসব কি করছো???”
আমি বললাম, “আপনি ই তো বলেছেন আপনার জিনিসটা ঠান্ডা করার ব্যবস্থা করতে…. আমি তো সেটাই করছি স্যার…..”
স্যার বললো, “না… মানে…. আমি তো আমার জিনিসটা তোমার গর্তে ঢুকানোর কথা বলেছিলাম….”
আমি বললাম, “এতোদিন তো কতো মেয়ের গর্তেই ঢুকিয়েছেন…. আজ নাহয় একটু নতুন কিছুর স্বাদ নিন….. আমি এতো সুন্দর ভাবে আপনার জিনিসটা চুষে দিবো যে আপনি আমার গর্তে ঢুকানোর চেয়ে বেশি মজা পাবেন….”
স্যার আর কিছুই বললো না, আরাম করে চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে রইলো…. আমিও মনের সুখে স্যারের জিনিসটা ললিপপের মতো চুষছি….
স্যার ও মজা পাচ্ছে…. আর আমার গর্তটাও বেঁচে যাচ্ছে…. আমার গর্তে এই লুইচ্চা লোকের জিনিস আমি কোনো ভাবেই ঢুকাতে দিবো না…..
ললিপপের মতো স্যারের জিনিসটা চুষছি…. এভাবে প্রায় ৩০ মিনিট চোষার পরে স্যার আমার মুখের ভেতরেই রস ঢেলে দিলো….
মেজাজ টা আমার একেবারেই গরম হয়ে গেছে….. রস যে বের হয়ে যাবে এটা আগে বললেই পারতো…. আমি চোষ বন্ধ করে দিতাম…..
যাই হোক…. আমার মুখে রস ঢেলেও স্যারের মন ভরেনি…. সে আমাকে দিয়ে আরো একবার তার জিনিসটা চোষাতে চায়…..
কি আর করা…. আবার স্যারের জিনিসটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলাম…. স্যারের এই জিনিস যে কতো মেয়ের গর্তে ঢুকেছে, স্যার হয়তো সে হিসাব নিজেও জানে না…. আর এখন আমি স্যারের সেই জিনিসটাই মুখে নিয়ে চুষছি….
আরো প্রায় ১৫ মিনিট চোষার পরে আবার স্যার রস ঢেলে দিলো আমার মুখের ভেতরে….
দ্বিতীয়বার রস ঢেলে দিয়ে স্যার এখন খুবই সন্তুষ্ট…. আর স্যারকে সন্তুষ্ট করতে পারে আমিও অনেক খুশি….
স্যার আমাকে কাছে টেনে নিয়ে তার কোলে বসিয়ে বললো, “তুমি আজকে চুষে যে মজা দিয়েছো…. এমন মজা এর আগে কেউই দিতে পারেনি…. আমার তো ইচ্ছে করছে তোমাকে বিয়ে করে আমার ঘরের বউ বানাতে….”
আমি বললাম, “কি যে বলেন স্যার…. বাড়িতে দুইটা বউ থাকতেও আবার বিয়ে করবেন আপনি??? বিয়ে করার কি দরকার স্যার??? তার চেয়ে বরং আমি মাঝে-মাঝে আপনার জিনিসটা চুষে ঠান্ডা করে দিবো….”
স্যারের সেবা-যত্ন করতে করতে অনেক ক্লান্ত হয়ে গেছি…. তাই ভাবছি আজকে ছুটি নিয়ে বাসায় চলে যাবো…
তা…. আমার অফিসের লুইচ্চা বসের গল্পটা কেমন লাগলো আপনাদের কাছে??? ভালো লেগেছে??? হুম????