[New] স্কুলের ৪ বন্ধু মিলে টানা ২ ঘন্টা করলো আমার সাথে!

স্কুল ছুটির পরে আকাশ আমাকে একটা খালি ক্লাসরুমের ভেতরে নিয়ে গেলো…. সেখানে গিয়ে দেখি শুভ, সজীব আর রনি, ওরা ৩জন আগে থেকেই ক্লাসরুমের ভেতরে ছিলো….

আকাশ ক্লাসরুমের দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে ওদের বললো, “তোরা শুরু কর…. আমি সবার পরে করবো….”

আমি অবাক হয়ে আকাশকে জিজ্ঞেস করলাম, “শুরু করবে মানে?? কি শুরু করবে???”

শুভ বললো, “নাটক কম কর…. তাড়াতাড়ি ড্রেস খুলে ফেল…. এতো সময় নেই আমাদের….”

শুভ যখন ড্রেস খুলে ফেলার কথা বললো, তখনই আমি বুঝে গেছি ওরা ৪জন আসলেই কি করতে চাইছে….

রাগে আমার মাথা গরম হয়ে যায়…. ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে যেতে চাইলে ওরা ৪জন মিলে আমাকে টেনে নিয়ে যায় ভেতরে….

জোর করে আমাকে টেবিলের উপরে উঠিয়ে, আকাশ আমার দুই পা চেপে ধরে…. সজীব আর রনি ওরা দুইজন আমার দুই হাত চেপে ধরে রাখে….

আমি পাগলের মতো চিৎকার করছিলাম…. নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছিলাম…. কিন্তু ওদের ৪জনের সামনে আমি বড় অসহায়….

শুভ টেবিলের উপরে উঠে শক্ত করে আমার মুখ চেপে ধরে বলে, “একদম চুপ…. বেশি চেঁচামেচি করলে এক্কেবারে উপরে পাঠিয়ে দিবো….”

শুভর এই কথা শুনে ভয়ে আমার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা…. মনেহচ্ছে আমার শরীরের শক্তি শেষ হয়ে আসছে…. ওরা আমার হাত-পা এমন ভাবে চেপে ধরে রেখেছে…. সামান্য নড়াচড়া করলেও ব্যাথা পাচ্ছি….

শুভ নিজের হাতে আমার স্কুল ড্রেসটা খুলে ফেললো…. তারপর কুকুরের মতো আমার উপর ঝাপিয়ে পরলো….

টানা ১ ঘন্টা আমার উপর তান্ডব চালায় শুভ…. ব্যাথায় আমার শরীরের অবস্থা এতো খারাপ হয়ে গেছে যে চোখ মেলে তাকাতেই পারছি না….

ওদের অনেক অনুরোধ করি…. কিন্তু ওরা আমার কোনো কথাই শুনলো না…. শুভর পরে সজীব আর রনি আরো প্রায় ৩০ মিনিট আমার উপর তান্ডব চালায়….

ওদের ৪জনের সাথে আমি কোনো ভাবেই পেরে উঠছিলাম না…. কোনো ভাবেই নিজেকে ছাড়াতে পারছিলাম না….

সবশেষে আকাশ আমার উপর পাগলের মতো তান্ডব চালাতে শুরু করে…. আকাশের জিনিসটা অনেক বড় ছিলো…. স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বড়….

আকাশ যখন আমার সাথে করতে শুরু করে…. ব্যাথায় আমি চিৎকার করতে শুরু করি…. আমার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পরছে…. তবুও আমার উপর ওদের একটুও মায়া হয়নি….

এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই…. জ্ঞান থাকা অবস্থায় দেখেছিলাম আকাশ আমার উপরে ছিলো…. এরপরে আর কিছুই মনে নেই আমার….

তারপর যখন আমার জ্ঞান ফিরে…. দেখি ওরা আমার মুখে পানি ছিটাচ্ছে…. আমার পুরো শরীর ব্যাথা করছে…. অনেক কষ্ট করে উঠে বসি….

শরীরে কোনো জামা-কাপড় নেই…. পুরো উলঙ্গ আমি…. আকাশ আমার মুখে স্কুল ড্রেসটা ছুড়ে মেরে বললো, “হয়েছে…. আর নাটক করতে হবে না…. এখন তাড়াতাড়ি ড্রেসটা পরে নে…. তোকে তোর বাড়িতে ছেড়ে দিয়ে আসবো….”

আমি কাঁদতে-কাঁদতে ওদের জিজ্ঞেস করি, “তোরা আমার বন্ধু হয়ে আমার এতো বড় সর্বনাশ কেনো করলি??? তোদের কি ক্ষতি করেছিলাম আমি???”

শুভ বললো, “তুই জানিস না আমাদের কি ক্ষতি করেছিস??? আমরা যখন আমাদের গার্লফ্রেন্ডদের সাথে সময় কাটাতাম, তুই গোপনে আমাদের ভিডিও করে রাখতি…. কিছুদিন আগে তুই সেইসব ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দিয়েছিস…. এরপর আমাদের সাথে যে কি হয়েছে সেটা কি তুই জানিস না???”

আমার আর কিছুই বলার নেই…. আসলে আমি মজা করে ওদের ভিডিও করে রাখতাম…. কয়েকদিন আগে শুভর গার্লফ্রেন্ডের সাথে আমার একটু ঝগড়া হয়…. তাই রাগ করে ওদের ভিডিও ইন্টারনেটে আপলোড করে দিয়েছিলাম…. ওদের ঐ ভিডিওগুলো ভাইরাল হয়ে গেছে…. তাই ওদের স্কুল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে…. ওদের গার্লফ্রেন্ডদের ও স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে….

আজকে স্কুল ছুটির পরে আকাশ আমার কাছে এসে বলে, “তোর সাথে ভিডিও নিয়ে আমার কিছু কথা আছে….”

এই কথা বলে আকাশ আমাকে একটা ফাঁকা ক্লাসরুমে নিয়ে এসেছিলো…. তারপর ক্লাসরুমে এসে দেখি ওরা সবাই এখানে ছিলো…. আমি বুঝতে পারিনি ওরা যে স্কুলের ভেতরে আমার সাথে এইসব করার সাহস পাবে….

ওরা সবাই অনেক বড়লোকের ছেলে…. ওদের অনেক ক্ষমতা…. অনেক টাকা…. ওরা আমার যে সর্বনাশ করলো…. আমি জানি…. আমি যদি ওদের ব্যাপারে মুখ খুলি, তাহলে ওরা আমার পরিবারেরও ক্ষতি করবে….

জানি না আমার এখন কি করা উচিৎ….