চাকরি বাঁচাতে অফিসের বসের সাথে | বাংলা চটি গল্প ২০২৬ | Bangla Choti Golpo 2026

রুপা: আহহহ!! স্যার.. খুব ব্যাথা লাগছে!!

আকাশ: এমন ভাব নিচ্ছিস, যেনো আজকেই প্রথমবার করছিস!!

রুপা: বিশ্বাস করুন স্যার.. এর আগে কোনো পুরুষ মানুষ আমাকে স্পর্শ করেনি..

আকাশ: আরে.. হয়েছে.. হয়েছে.. এতো ভাব নিতে হবে না!! বিয়ের পরে স্বামীর সাথে যে ২ বছর সংসার করেছিস, তখন তোর স্বামী বুঝি তোকে ঘরে সাজিয়ে রেখেছিলো??

রুপা: সত্যি বলছি স্যার.. আপনি ই আমার জীবনে প্রথম পুরুষ!!

আকাশ: প্রথম নাকি দ্বিতীয় সেটা জেনে আমার কি লাভ?? তোকে এই অফিসে চাকরি দিয়েছি, বিনিময়ে তুই আমাকে মজা দিচ্ছিস..

রুপা: স্যার.. আমি অনেক ব্যাথা পাচ্ছি.. দয়া করে একটু আস্তে-আস্তে করুন.. আহহ.. স্যার..

আকাশ: আরে কি স্যার স্যার করছিস!! একটু চুপচাপ থাক.. আমাকে একটু মজা নিতে দে..

(রুপা) এরপর আমি আর কোনো কিছুই বললাম না.. নীরবে সব ব্যাথা সহ্য করছি..

(রুপা) প্রায় ১ ঘন্টা আমার শরীরটাকে ভোগ করার পরে শান্ত হলো আকাশ স্যার!!

(রুপা) আমার অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেছে.. সোফা থেকে উঠেতেই পারছি না!! শরীরে প্রচন্ড ব্যাথা..

(রুপা) আমাকে সোফায় শুয়ে থাকতে দেখে আকাশ স্যার বললো..

আকাশ: আরে.. হয়েছে.. হয়েছে.. এতো ঢং করতে হবে না!! তাড়াতাড়ি নিজেকে ঠিকঠাক করে নাও.. কিছুক্ষন পরেই আমার একটা মিটিং আছে..

রুপা: স্যার আমাকে আর ১০ মিনিট সময় দিবেন প্লিজ.. খুব ব্যাথা করছে.. আমি মিথ্যা কথা বলছি না স্যার!!

আকাশ: সত্যিই কি আজকে তোমার প্রথমবার ছিল নাকি??

রুপা: স্যার আপনাকে তো অনেকবার বলেছি.. আপনি তো আমাকে বিশ্বাস করেননি!!

আকাশ: তোমার মতো মেয়েকে বিশ্বাস না করাটাই তো স্বাভাবিক!! আচ্ছা.. ঠিকাছে.. তুমি এখানে rest নাও.. আমি মিটিং রুমে গিয়ে মিটিং শেষ করে আসছি..

(রুপা) তারপর আকাশ স্যার মিটিং রুমে চলে গেলো। আর আমি সোফাতেই শুয়ে আছি..

(রুপা) অনেক ঘুম-ঘুম পাচ্ছে.. চোখ মেলে তাকাতে পারছি না!!

Bangla Choti Golpo 2026

(রুপা) হঠাৎ ঘুমিয়ে পরেছিলাম! আকাশ স্যারের ডাকে ঘুম ভাঙল!! চোখ মেলে দেখি আকাশ স্যার আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে..

(রুপা) সোফা থেকে উঠে বসলাম.. তারপর স্যারকে বললাম..

রুপা: Sorry.. আসলে চোখ লেগে গিয়েছিলো.. তাই একটু ঘুমিয়ে পরেছিলাম..

আকাশ: একটু না.. অনেকক্ষণ ঘুমিয়েছো.. প্রায় ৫ ঘন্টা!!

রুপা: ৫ ঘন্টা!! কি বলছেন!! আমি ৫ ঘন্টা ঘুমিয়েছি?? উফ!! অনেক দেরি হয়ে গেছে.. আমাকে এখুনি বাসায় যেতে হবে..

আকাশ: হ্যা.. রাত হয়ে গেছে.. অফিসের সবাই বাসায় চলে গেছে। তোমার ও এখন বাসায় যাওয়া উচিৎ, তাই তোমাকে ডেকে তুলেছি..

(রুপা) আমি সোফা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে পরনের জামা-কাপড় ঠিকঠাক করে নিলাম। তারপর স্যারকে বললাম..

রুপা: ঠিকাছে.. আমি তাহলে এখন যাই..

(রুপা) আকাশ স্যার আমাকে পেছন থেকে ডেকে বললো..

আকাশ: আমার ড্রাইভার রাস্তায় গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছে তোমার জন্য। তোমাকে বাসায় পৌছে দিয়ে আসবে..

রুপা: ড্রাইভার!! না.. না.. আমি একাই বাসায় যেতে পারবো..

আকাশ: তোমার যেটা বলেছি সেটাই করো.. আর গাড়িতে তোমার ঔষধ রাখা আছে। সময় মতো ঔষধ খেয়ে নিও..

রুপা: ঔষধ!! কিসের ঔষধ??

আকাশ: তুমি যখন ঘুমিয়ে ছিলে তখন ডাক্তার এসে তোমাকে চেকাপ করেছিলো.. আমি ই ডাক্তার ডেকে এনেছিলাম..

রুপা: ডাক্তার!! আমি আমার জন্য ডাক্তার ডেকে নিয়ে এসেছিলেন অফিসে?? কিন্তু কেনো?? আমি তো সুস্থ ই আছি.. যদিও শরীরটা একটু খারাপ লাগছিলো.. তবে এখন ঠিক আছি!!

আকাশ: তুমি একটু বেশি কথা বলো!! তাড়াতাড়ি নিচে যাও.. ড্রাইভার সেই কখন থেকে গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছে তোমার জন্য..

রুপা: না স্যার.. গাড়ি লাগবে না.. আমি একাই বাড়ি যেতে পারবো..

(রুপা) আকাশ স্যার কোনো জবাব দিলো না। রাগ-রাগ একটা ভাব নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে!! আকাশ স্যারের চোখের ঐ ভয়ংকর চাওনি দেখে আমি আর কিছু বলার সাহস পেলাম না..

বাংলা চটি গল্প ২০২৬

(রুপা) চুপচাপ স্যারের রুম থেকে বের হয়ে অফিসের নিচে চলে এসেছি। এসে দেখি স্যারের ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে রাস্তায় অপেক্ষা করছে আমার জন্য..

(রুপা) গাড়িতে উঠে দেখি আমার কিছু ঔষধ গাড়ির ভেতরে রাখা আছে। আজকে খুব অবাক লাগছে স্যারের ব্যবহার দেখে..

(রুপা) ড্রাইভার গাড়ি চালাচ্ছে আর আমি চুপচাপ গাড়ির পেছনে সিটে বসে আকাশ স্যারের কথাই ভাবছি..

(রুপা) আকাশ স্যার অনেক শক্ত প্রকৃতির মানুষ!! তাছাড়া তার চরিত্র যে কতোটা ভালো, সেটা আশা করি বুঝতে পেরেছেন..

(রুপা) অফিসের প্রায় সব মেয়ের সাথেই তার মেলামেশা.. যারা তার কু-প্রস্তাবে রাজি না হয়, তাদের চাকরি থেকে বের করে দেয়!!

(রুপা) বর্তমান সময়ে নতুন চাকরি পাওয়া অনেক কষ্টের কাজ!! তাছাড়া এই অফিসে যেসব মেয়েরা চাকরি করে তাদের প্রায় সবার ই অনেক অসহায়.. সবার ই টাকার অনেক প্রয়োজন..

(রুপা) তাই আমাদের অফিসের মেয়েরা চাকরি হারানোর ভয়ে খুব সহজেই আকাশ স্যারের কু-প্রাস্তাবে রাজি হয়ে যায়.. যেমনটা আমি রাজি হয়েছিলাম.. কারন এই চাকরিটা চলে গেলে আমাকে যে না খেয়ে মরতে হবে..

(রুপা) এইসব কথা ভাবতে ভাবতে গাড়িটা আমার বাসার সামনে পৌছে গেছে..

(রুপা) ঔষধগুলো সাথে নিয়ে আমি গাড়ি থেকে নেমে গেলাম..

(রুপা) আমাকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে আকাশ স্যারের ড্রাইভার চলে গেল..

(রুপা) আমার বেডরুমে এসে সোজা বিছানায় শুয়ে পরেছি.. শরীরে একটুও শক্তি নেই!! শরীরটা একটু দুর্বল লাগছে..

(রুপা) আজকে প্রথমবার কোনো পুরুষ মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়েছি!! হয়তো এই জন্যই শরীরটা এতো খারাপ লাগছে..

(রুপা) তাছাড়া আকাশ স্যার খুব শক্ত ভাবে করেছে আমার সাথে.. করার সময় খুব ব্যাথা পাচ্ছিলাম!!

(রুপা) আকাশ স্যার ভেবেছিলো আমি মনেহয় এর আগেও অন্য পুরুষ মানুষদের সাথে মেলামেশা করেছি!! তাছাড়া আমার স্বামীর সাথে ২ বছর সংসার করেছি.. তাই আমার ব্যাপারে এমনটা ভাবাই স্বাভাবিক যে আমি এর আগেও এইসব করেছি..

(রুপা) কিন্তু আমার স্বামী তো আমাকে কখনো স্পর্শ ও করেনি!! আর আমিও আকাশ স্যার ছাড়া অন্য কোন পুরুষ মানুষের সাথে মেলামেশা করিনি..

(রুপা) আমার বিয়েটা এখনো আমার কাছে একটা দুঃস্বপ্নের মতো মনেহয়!! বিয়ের পরে আমার স্বামীর সাথে কাটানো ২টা বছর ছিলো আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময়!!

BD Choti 2026

(রুপা) বিয়ের দিন রাতে আমার স্বামী তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে আমাদের বাসর ঘরে ঢুকে পরে!! প্রথমে আমি ভেবেছিলাম মেয়েটা হয়তো আমার স্বামীর কোনো ছোট বোন হবে..

(রুপা) কিন্তু আমার ভুল ভাঙ্গে যখন আমার স্বামী ঐ মেয়েটাকে তার গার্লফ্রেন্ড বলে পরিচয় করিয়ে দেয়!!

(রুপা) আমি খুব অবাক হয়ে ভাবছিলাম, বাসর ঘরে গার্লফ্রেন্ডকে কেনো নিয়ে এসেছে!!

(রুপা) কিছুক্ষন পরে যখন দেখলাম আমার স্বামী আমার চোখের সামনেই তার গার্লফ্রেন্ডকে জড়িয়ে ধরে প্রেম-ভালোবাসা আদান প্রদান করছে, তখন আমি বুঝতে পেরেছিলাম, আমার স্বামী যে কতোটা চরিত্রবার মানুষ!!

(রুপা) বিয়ের দিন রাতে, আমার বাসর ঘরে, আমার স্বামী যখন আমার চোখের সামনে তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে ঐসব করছিলো, তখন আমি সেই বিছানার এক কোনায় বসে চোখের পানি ফেলছিলাম..

(রুপা) এটা করা ছাড়া আমার আর কিছুই করার ছিলো না!! আমার স্বামীকে আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে কেনো আমাকে বিয়ে করেছে!! আর কেনোই বা আমার সামনে অন্য মেয়ের সাথে মেলামেশা করছে!! তখন আমার স্বামী বলেছিলো..

শুভ: তোকে বিয়ে করেছি টাকার লোভে.. তোর মামা-মামী আমাকে অনেক টাকা দিয়েছিলো তোকে বিয়ে করার জন্য..

রুপা: এইসব কি বলছো!! আমাকে বিয়ে করার জন্য মামা-মামী টাকা দিয়েছিলো!! কিন্তু কেনো??

শুভ: কারন তোর মামা-মামী চেয়েছিলো তোকে গ্রাম থেকে বের করতে!! কারন তুই যদি গ্রামে থাকিস তাহলে তোর মামা-মামী তোর মায়ের নামে যে জায়গা-জমি আছে সেগুলো বিক্রি করতে পারবে না!!

রুপা: না.. আমি বিশ্বাস করি না!! মামা-মামী আমাকে নিজের মেয়ের মতো আদর করে.. তারা কখনো আমার সাথে এই অন্যায় করবে না!! আমি আজকেই গ্রামে যাবো..

শুভ: এখন আর গ্রামে গিয়ে কোনো লাভ নেই!! কারন তোর মামা-মামী সবকিছু বিক্রি করে বিদেশে তাদের ছেলের কাছে চলে গেছে..

(রুপা) আমার স্বামী শুভর কথাগুলো আমি তখন বিশ্বাস করিনি.. আমার কাছে কিছু টাকা ছিলো, সেই টাকা দিয়ে আমাদের গ্রামে চলে গিয়েছিলাম..

(রুপা) গ্রামে গিয়ে যা দেখেছিলাম, তাতে আমার হৃদয়টা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গিয়েছিলো..

(রুপা) আমার স্বামী ঠিকই বলেছিলো.. আমার মামা-মামী সবকিছু বিক্রি করে বিদেশে আমার মামাতো ভাইয়ের কাছে চলে গেছে!!

(রুপা) আমার আর কোনো উপায় ছিলো না.. আমি আবার আমার স্বামী শুভর কাছেই ফিরে আসি..

(রুপা) তারপর দুই বছর আমার স্বামীর সাথে সংসার করেছি.. ঐ দুই বছরে আমার স্বামী কখনো আমাকে স্পর্শ করেনি!!

(রুপা) কারন আমাকে স্পর্শ করার কোনো প্রয়োজন হয়নি!! আমার স্বামীর চাহিদা পূরণ করার জন্য ওর গার্লফ্রেন্ড ই যথেষ্ট ছিলো..

(রুপা) এক রুমের একটা ছোট ঘরে আমার স্বামীর সাথে থাকতাম আমি.. আমাদের রুমে একটাই বিছানা ছিলো..

(রুপা) আমাদের বিছানায় ৩ জন মানুষ ঘুমাতো!! আমি, আমার স্বামী, আর আমার স্বামীর গার্লফ্রেন্ড স্বর্ণা!!

(রুপা) স্বর্ণা সারাদিন কোথায় থাকতো, কি করতো, সেটা আমি জানি না.. কিন্তু প্রতিদিন রাতে স্বর্ণা আমাদের ঘরে চলে আসতো.. তারপর আমার স্বামীর সাথেই ঘুমাতো..

(রুপা) যেই বিছানায় আমি ঘুমাতাম, সেই বিছানায় আমার স্বামী ওর গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে ফুর্তি করতো..

(রুপা) এইসব নোংরা দৃশ্য দেখে প্রথমে অনেক কান্না করতাম.. কিন্তু পরে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিলো..

(রুপা) এক পর্যায়ে আমি চেষ্টা করেছিলাম আমার স্বামীকে কাছে টেনে নিতে!! ওকে বলেছিলাম..

রুপা: তুমি স্বর্ণা সাথে যা ইচ্ছা করো.. আমি তোমাকে কখনো বাঁধা দেইনি, আর ভবিষ্যতেও বাঁধা দিবো না!! কিন্তু তুমি আমাকে দূরে ঠেলে দিও না.. আমার ও কিছু চাহিদা আছে.. আমাকেও তোমার ভালোবাস দাও..

শুভ: যদি বেঁচে থাকতে চাস, তাহলে স্বর্ণার সামনে এইসব কথা কখনো বলিস না!! স্বর্ণা যদি জানতে পারে তুই আমাকে এইসব কথা বলেছিস, তাহলে তোকে এক্কেবারে শেষ করে ফেলবে..

(রুপা) আমার ভাগ্য অনেক খারাপ ছিলো!! আমি যখন আমার স্বামী শুভর সাথে কথা বলছিলাম, তখন ই স্বর্ণা ঘরের ভেতরে চলে আসে, আর আমাদের সব কথা শুনে ফেলে..

(রুপা) সেদিন স্বর্ণা আমাকে কিছুই বলেনি!! আমি ভেবেছিলাম স্বর্ণা হয়তো আমাকে কিছুই বলবে না..

(রুপা) কিন্তু পরের দিন আমার স্বামী শুভ আর ঘরে ফিরে আসেনি.. প্রতিদিনের মতোই সকালে কাজে গিয়েছিলো, কিন্তু রাতে আর ঘরে ফিরে আসেনি.. স্বর্ণাও ফিরে আসেনি..

(রুপা) তারপর ১ সপ্তাহ পার হয়ে যায়!! আমার স্বামী শুভ আর তার গার্লফ্রেন্ড স্বর্ণা, ওদের দুজনের মধ্যে কেউই আর ঘরে ফিরে আসেনি..

(রুপা) আমার আর বুঝতে বাকী থাকে না যে তারা আর ঘরে ফিরে আসবে না!! এদিকে ঘরে সব খাবার শেষ!! না খেয়ে মরে যাওয়ার মতো অবস্থা আমার!!

(রুপা) তখন আমার এক প্রতিবেশির সাথে আমার সব ঘটনা শেয়ার করি.. আমার ঐ প্রতিবেশিই আমাকে আকাশ স্যারের অফিসের খোঁজ দিয়েছিলো। তবে সে আমাকে এটাও বলেছিলো যে, এই অফিসে যেসব মেয়েরা কাজ করে, তাদের সব সময় অফিসের সব আকাশ স্যারকে খুশি রাখতে হয়!

(রুপা) সবকিছু জেনে বুঝেই আমি আকাশ স্যারের অফিসে চাকরি নিয়েছিলাম.. এই চাকরিটা আমার জীবন বাঁচিয়েছে.. নয়তো আমি না খেয়েই মরে যেতাম!!

(রুপা) আজকে পুরানো দিনের কথাগুলো অনেক মনে পরছে.. একটুও ঘুম আসছে না!! অফিস থেকে বাসায় এসে যে বিছানায় শুয়েছি, সেভাবেই আছি!!

(রুপা) আকাশ স্যারের ব্যবহারে আমি অনেক খুশি!! সে আমার সাথে খারাপ কাজ করেছে ঠিকই, কিন্তু আমার যত্ন ও নিয়েছে.. এর আগে কখনো কেউ এভাবে আমার যত্ন নেয়নি..

bangla choti golpo 2026

bd choti

new bangla choti golpo

বাংলা চটি গল্প ২০২৬

নতুন বাংলা চটি গল্প