
গভীর রাত! আশেপাশে কেউ নেই! এই সুযোগে আকাশ আমাকে কাছে পেয়ে পাগলের মতো আদর করছে! আমার বয়ফ্রেন্ড আকাশকে থামিয়ে দিয়ে বললাম,
ছোয়া: তুমি কিন্তু অনেক দুষ্টু হয়ে গেছো! আমরা যে প্রতিদিন এভাবে গোপনে দেখা করছি, এটা যদি কেউ জানতে পারে তাহলে কি হবে একবার ভেবে দেখেছো?
আকাশ: এতো চিন্তা কেনো করছো লক্ষিটি! আমাদের দেখা সাক্ষাতের কথা কেউই জানতে পারবে না!
ছোয়া: জান-পাখি.. তুমি না বলেছিলে আমাকে নিয়ে শহরে ঘুরতে যাবে? কবে নিয়ে যাবে আমাকে শহরে?
আকাশ: এই তো, পরের সপ্তাহেই আমি শহরে যাবো, তখন তোমাকে আমার সাথে নিয়ে যাবো! তবে শহরে গিয়ে কিন্তু আমাকে খুশি করার ব্যবস্থা করতে হবে!
ছোয়া: তোমাকে তো আমি সব সময় ই খুশি রাখছি গো.. তুমি যখন যা বলছো আমি সেটাই করছি! আজকেও তো টানা ৩০ মিনিট করলে! যদি চাও, তাহলে আরো একবার করতে পারো!
আকাশ: তাই নাকি! আরো একবার সুযোগ পাবো আজকে! চলো তাহলে, আবার শুরু করা যাক!
তারপর আকাশ আবার আমার উপরে ঝাপিয়ে পরে তান্ডব চালাতে শুরু করলো! আমি ব্যাথায় চিৎকার করে ওকে বললাম,
ছোয়া: উহ.. আহ.. একটু আস্তে-আস্তে করো জান পাখি.. তুমি কিন্তু এখন আমাকে অনেক ব্যাথা দাও! আহ.. ও মা গো.. প্লিজ একটু আস্তে-আস্তে লক্ষিটি.. খুব ব্যাথা লাগছে গো.. আহ.. ও বাবা গো..
আমার চিৎকার শুনেও আকাশ থামলো না! ওর পাগলের মতো তান্ডব চালাচ্ছে আমার ভেতরে।
কিছুক্ষন তান্ডব চালানোর পরে আকাশ আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো,
আকাশ: আজকে খুব মজা লাগছে! সবকিছুই হলো, কিন্তু একটা জিনিস ই বাকী রয়ে গেলো?
ছোয়া: আজকে তো দুইবার করলে! আবার কি বাকী রয়েছে গো লক্ষিটি? এখন কি তুমি আমাকে দিয়ে তোমার ললিপপ চোষানোর চিন্তা-ভাবনা করছো নাকি? আজকে আর পারবো না গো জান-পাখি! আজকে ছেড়ে দাও প্লিজ..
আকাশ: প্লিজ না করো না.. বেশি না, মাত্র ১০ মিনিট করলেই হবে! এটা করলেই আজকে তোমার ছুটি!
ছোয়া: তোমার এই বিশাল বড় ললিপপ দেখেলেই তো আমার ভয় লাগে গো! এই ৬ ইঞ্চি ললিপপ আমার গলা পর্যন্ত চলে যায়! তোমার এই ৬ ইঞ্চি ললিপপ চুষতে গেলে আমার দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়ে যায় গো..
আকাশ: তুমি আমাকে এভাবে ফিরিয়ে দিতে পারলে? তোমাকে শহরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি কতো কষ্ট করছি!
ছোয়া: আচ্ছা ঠিকাছে.. ঠিকাছে.. রাগ করো না গো.. আমি এখুনি তোমার লিলিপপ চুষে দিচ্ছি!
আকাশ: এই জন্যই তো আমি তোমাকে এতো ভালোবাসি! শুরু করো তাহলে..
তারপর আমি আকাশের ৬ ইঞ্চি ললিপপের কিছু অংশ নিজের মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে নিলাম। কিন্তু আকাশ জোর করে পুরোটাই আমার মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলো। ওর ললিপপ চুষতে-চুষতে বললাম,
ছোয়া: উমম.. পুরোটা মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ো না গো.. উমমম.. প্লিজ একটু আস্তে.. তুমি শান্ত হয়ে থাকো, আমি চুষে দিচ্ছি.. উমমম..
অনেকক্ষণ আকাশের ললিপপ চুষে একেবারে ক্লান্ত হয়ে গেছি! জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে-নিতে ওকে বললাম,
ছোয়া: উফ! তুমি আজকে আমার ১২টা বাজিয়ে দিয়েছো! শরীরে একটুও শক্তি নে গো.. মনেহচ্ছে না হেঁটে বাড়ি যেতে পারবো..
আকাশ: আরে চিন্তা করো না! আমি আছি তো তোমার সাথে! আমি তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে আসবো!
ছোয়া: আরে না.. না.. আমাকে বাড়ি পৌছে দিতে হবে না.. তুমি আমার সাথে গেলে কেউ দেখে ফেলতে পারে! তুমি তোমার বাড়িতে যাও, আর আমি আমার বাড়িতে যাচ্ছি!
তারপর আকাশকে ওর বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে আমিও যাচ্ছি আমার বাড়িতে! প্রতিদিনের মতো আজকেও এসেছিলাম আকাশের সাথে গোপনে দেখা করতে!
চুপি-চুপি বাড়ির ভেতরে ঢুকে সোজা বিছানায় এসে শুয়ে পরেছি! যাক বাবা! আজকেও mission successful, সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে আজকেও বয়ফ্রেন্ডের সাথে গোপনে দেখা করতে পেরেছি!
আমি ছোয়া, বয়স ২২ বছর। আর আকাশের বয়স ২৩/২৪ বছর হবে! আকাশের সাথে আমার সম্পর্কটা খুব বেশি দিনের না! মাত্র ৪ মাস হয়েছে! এই ৪ মাসেই আমাদের সম্পর্কটা অনেক গভীরে চলে গেছে! নিয়মিত আমরা দেখা-সাক্ষাৎ করছি, মেলামেশা করছি!
যদিও বিয়ের আগে এইসব কিছুই করার ইচ্ছা ছিলো না আমার! কিন্তু আকাশ ই আমাকে জোর করেছিলো! তাছাড়া আমিও আকাশকে খুশি রাখতে চেয়েছিলাম! কারন আকাশ ই পারে আমাকে শহরে নিয়ে যেতে! এই গ্রামে আমি আর থাকতে চাই না! আমি শহরে যেতে চাই!
চোখ মেলে দেখি সকাল ৯টা বাজে! ওরে বাবা রে! অনেক দেরি হয়ে গেছে আজকে! এমনিতে প্রতিদিন সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ঘুম ভেঙ্গে যায়!
আজকে অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠেছি! তার মা অনেক রেগে আছে! মায়ের সামনে যাওয়ার পরে মা বললো,
ছোয়ার মা: এই যে মহারানী! এখন আপনার ঘুম থেকে ওঠার সময় হলো? সকাল কয়টা বাজে? ঘরের কাজগুলো কে করবে শুনি?
ছোয়া: আসলে শরীর টা ভালো লাগছিলো না, তাই ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হয়ে গেছে! তুমি চিন্তা করো না মা, আমি ঘরের সব কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেলবো!
ছোয়ার মা: আমি একটু বাজারে যাচ্ছি! ঘরে চাল-ডাল কিছুই নেই! তোর বাবা তো সেই কবেই আমাদের রেখে শহরে চলে গেছে! এখানে আমরা বেঁচে আছি নাকি মরে গেছি সেই খোঁজটাও একবার নেয়নি!
ছোয়া: চলো না মা, আমরাও একবার শহরে যাই! শহরে গিয়ে বাবাকে খুঁজলেই পেয়ে যাবো! তুমি যদি যেতে না চাও তাহলে আমাকে যেতে দাও! আমি একাই শহরে গিয়ে বাবাকে খুঁজে আনবো!
ছোয়ার মা: বললেই হলো নাকি? শহরে গেলেই কি তো বাবাকে পেয়ে যাবি নাকি? শহরটাকে কি মামা-বাড়ি মনে করেছিস? আর শহরে কতো খারাপ লোক থাকে জানিস? জীবনেও কোনোদিন শহরে যাওয়ার কথা বলবি না আমার সামনে!
মা রাগ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলো! মা আমাকে শহরে যেতে দিতেই চায় না! কিন্তু আমি শহরে যেতে চাই! আমার বাবাকে খুঁজে বের করতে চাই!
সারাদিন ঘরের কাজ করতে-করতেই সময় পার হয়ে যায়! ঘর পরিষ্কার থেকে শুরু করে রান্না-বান্না সব কাজ আমাকেই করতে হয়। কারন মা তো সারাদিন বাড়ির বাইরে থাকে। টুক-টাক ছোট-খাটো কাজ করে সংসারের জন্য টাকা রোজগার করে।
রাতে আবার চলে এসেছি বয়ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে! আমার বয়ফ্রেন্ড টা অনেক দুষ্টু! আমার সাথে অনেক দুষ্টুমি করে! একবার করে ওর মন ভরে না! বার বার করতে চায়! তাই আজকে আমার বয়ফ্রেন্ড আকাশকে বললাম,
ছোয়া: আজকে কিন্তু একবারের বেশি করতে পারবো না গো! শরীরটা ভালো লাগছে না! তবুও তোমার সাথে দেখা করতে এসেছি! আমি না আসলে তো তুমি রাগ করতে!
আকাশ: আরে আজকে তোমার ছুটি! তাড়াতাড়ি বাড়িতে গিয়ে ঘুমিয়ে পরো! কাল সূর্য ওঠার আগেই আমরা শহরে রওনা দিবো!
ও আমাকে শহরে নিয়ে যাবে! আমার তো বিশ্বাস ই হচ্ছে না! ওকে আবার জিজ্ঞেস করলাম,
ছোয়া: সত্যি বলছো গো? কাল তুমি আমাকে নিয়ে শহরে যাবে! আমার যে কি খুশি লাগছে গো! তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি! অনেক-অনেক বেশি ভালোবাসি!
আকাশ: আরে তোমার এই ভালোবাসা জমিয়ে রাখো! কাল শহরে গিয়েই আমি একটা হোটেলের রুম ভাড়া করবো! তারপর তোমার ভালোবাসার পরীক্ষা নেবো!
ছোয়া: তুমি শুধু আমাকে একবার শহরে নিয়ে চলো! তারপর দেখবে আমি তোমাকে কতো ভালোবাসা দেই! তোমার মাথা থেকে পা পর্যন্ত ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিবো!
আকাশ: আচ্ছা.. আচ্ছা.. ঠিকাছে.. ঠিকাছে.. তুমি তাহলে সময় মতো আমার বাড়ির পেছনে চলে এসো! মনে রেখো, আমরা কিন্তু সূর্য ওঠার আগেই রওনা দেবো!
ছোয়া: আরে এতো চিন্তা করো না! আমি সময় মতোই চলে আসবো তোমার বাড়ির পেছনে! তবে আমার কাছে কিন্তু টাকা-পয়সা কিছুই নেই!
আকাশ: আরে আমি কি তোমার কাছে টাকা-পয়সা চেয়েছি নাকি? আমার কি টাকার অভাব আছে নাকি? তাছাড়া আমি তো বাবার ব্যবসার কাজেই শহরে যাচ্ছি! আমার আসা যাওয়ার খরচ বাবা ই দিবে! শুধুমাত্র তোমার আসা-যাওয়ার খরচ আমাকে যোগাড় করতে হবে, আর সেটা আমি যোগাড় করেও ফেলেছি! যাই হোক, আমি এখন যাই, তুমি সময় মতো চলে এসো কিন্তু!
আমার যে কি আনন্দ হচ্ছে না! আমার এতোদিনের স্বপ্ন সত্যি হতে যাচ্ছে! আমি আমার সপ্নের শহরে যাবো! আমার কাছে যদি টাকা থাকতো তাহলে তো সেই কবেই আমি শহরে চলে যেতাম! আমার কাছে টাকা নেই বলেই তো আকাশকে পটিয়ে শহরে যাওয়ার ব্যবস্থা করছি!
বাড়িতে এসে আমার জমানো কিছু টাকা নিজের সাথে নিয়ে নিচ্ছি! একবার শুধু শহরে যেতে পারলেই হলো! বাবা আমি আসছি তোমার কাছে!
ভোরবেলা বাড়ি থেকে পালিয়ে আকাশের কাছে যাচ্ছি! মা এখন গভীর ঘুমে আছে, তাই টের পায়নি আমি যে বাড়ি থেকে বের হয়েছি! আসলে আমার মা সারাদিন বাড়ির বাইরে কাজ করে সংসারের জন্য টাকা রোজগার করে। তাই রাতে বিছানায় গেলেই গভীর ঘুমের চলে যায়! তাই তো এতদিন খুব সহজেই আকাশের সাথে রাতে দেখা করতে যেতে পারতাম। আর আজকেও পালিয়ে শহরে যেতে পারছি!
আকাশের বাড়ির পেছনে এসে দেখি আকাশ আমার জন্য অপেক্ষা করছে! আমাকে দেখে আকাশ জিজ্ঞেস করলো,
আকাশ: কি ব্যাপার? তুমি তো দেখছি একেবারে খালি হাতে চলে এসেছো? শহরে তো আমরা একরাত থাকবো! সাথে তোমার জামা-কাপড় নিয়ে আসোনি কেনো?
ছোয়া: আমার কি ভালো কোনো জামা-কাপড় আছে নাকি? এখন যেটা পরে আছি, এটাই আমার ভালো জামা। বাকী সব জামা ছেড়া-ফাড়া! আর আমার কিছুই লাগবে না! এই এক জামা দিয়েই আমার চলবে!
আকাশ: আচ্ছা ঠিকাছে, কিন্তু তোমার মাকে কি বলে এসেছো? তুমি আবার তোমার মাকে না বলে বাড়ি থেকে পালিয়ে আসোনি তো?
ছোয়া: তুমি কি পাগল হয়ে গেছো নাকি? মা কি আমাকে তোমার সাথে শহরে যেতে দিবে নাকি?
আকাশ: তুমি যে এভাবে বাড়ি থেকে পালিয়ে শহরে যাচ্ছো, পরে যখন বাড়ি ফিরে আসবে, তখন তোমার মাকে কি বলবে?
ছোয়া: বলবো যে আমাকে নিশি ভূতে ধরে নিয়ে জঙ্গলে বেঁধে রেখেছিলো! তাহলে আমার মা আমাকে কিছুই বলবে না, উলটো আমি ফিরে এসেছি বলে অনেক খুশি হবে!
আকাশ: তোমার মাথায় কিন্তু অনেক বুদ্ধি আছে! এতো বুদ্ধি নিয়ে রাতে ঘুমাও কিভাবে?
ছোয়া: কে বলেছে আমি রাতে ঘুমাই? রাতে ঘুমানোর সুযোগ পাই নাকি? তোমাকে খুশি করতে-করতেই তো রাত শেষ হয়ে যায়!
আকাশ: এভাবে বলো না! তুমি তো আমাকে ২০/৩০ মিনিটের বেশি সময় দাও না! মাঝে-মাঝে ১ ঘন্টা পার হয়ে যায় আর কি!
ছোয়া: ঐ ২০/৩০ মিনিটেই তুমি যেভাবে পাগলের মতো আমার সাথে খেলাধুলা করো, এতে আমার রাতের ঘুম শেষ হয়ে যায়! এখন আর কথা না বাড়িয়ে তাড়াতাড়ি চলো.. সূর্য উঠে গেলেই সবার ঘুম ভেঙ্গে যাবে! তখন সবাই আমাদের একসাথে দেখে ফেলবে!
আকাশ: ঠিকই বলেছো! তাড়াতাড়ি চলো! আমার বাবা তো এখন জেগেই আছে! আমাদের দেখে ফেললে তোমাকে নিয়ে আর শহরে যাওয়ার হবে না!
ছোয়া: চলো.. চলো.. তুমি যে আমাকে কেনো শহরে নিয়ে যাচ্ছো সেটা কিন্তু আমি জানি! শহরে গিয়ে হোটেল রুম ভাড়া করে আমার সাথে লটর-পটর করার সখ জেগেছে তোমার! সবই আমি জানি!
আকাশ: আরে না! ঐসব কিছুই না! প্রতিদিন তো আমাদের দেখা-সাক্ষাৎ হচ্ছে ই! এইসবের জন্য আবার শহরে যাওয়ার কি দরকার! এমনি তোমাকে ঘুরতে নিয়ে যাচ্ছি!
ছোয়া: আরে সবই আমি বুঝি গো.. লুকিয়ে-লুকিয়ে প্রেম করা আর হোটেলে রুম ভাড়া করে প্রেম করার মধ্যে অনেক তাফাত আছে গো.. চলো.. শহরে গিয়ে তোমার সাথে বিয়ের আগেই বাসর রাতের পর্বটা শেষ করে আসি..
আকাশের সাথে গাড়ি দিয়ে শহরে যাচ্ছি! আকাশের বাবা কিন্তু অনেক পয়সাওয়ালা লোক! তাই শহরে যাওয়ার জন্য গাড়ি ভাড়া করার টাকা তার আছে! আর এদিকে আকাশের ও কোনো খরচ হচ্ছে না, কারন গাড়িতে তো আকাশ একাই যাচ্ছে, সাথে আমাকে নিয়ে যাচ্ছে! আমি গেলে গাড়ির যেমন ভাড়া, আমি না গেলেও গাড়ির সেই একই ভাড়া! তাছাড়া আমাদের গ্রামে কোনো বাস আসে না! তাই গাড়ি দিয়েই শহরে যেতে হয়!
সারারাত গাড়িতে ছিলাম আকাশের সাথে। আকাশ কেমন ছেলে সেটা ও বুঝতেই পারছেন। যদিও গাড়ির ভেতরে ড্রাইভার ছিলো, তবুও আকাশ সুযোগ পেলেই আমার শরীরে হাত দিয়েছে। আর আমাকে দিয়ে ওর লিলিপপ মালিশ করিয়েছে! এভাবেই পার হয়েছে আমার রাত!
অবশেষে আমি আমার স্বপ্নের শহরে চলে এসেছি! এই শহরে আসার জন্য কতো কিছু যে করতে হয়েছে আমাকে! অবশেষে আমি পৌছে গেছি আমার স্বপ্নের ঠিকানায়! আমি চলে এসেছি বাবা! তোমার শহরে আমি চলে এসেছি!
গাড়ি থেকে নেমে চারদিকটা দেখছি! জীবনে প্রথমবার শহরে এসেছি! এতো বড়-বড় বাড়ি দেখে আমার তো মাথা ঘুরাচ্ছে!
আকাশ: আরে! ছোয়া কোথায় গেলো! এই মাত্রই তো আমার সাথে গাড়ি থেকে নামলো! মুহূর্তেই মধ্যেই কোথায় চলে গেলো! হায় হায়! এখন আমি ওকে কোথায় খুঁজবো!
আকাশ যখন গাড়ি ভাড়া দিচ্ছিলো, তখন পালিয়ে এসেছি! এখন দৌড়ে চলে যাচ্ছি অনেক দূরে! এতো দূরে যেতে হবে যেনো আকাশ আমাকে খুঁজেই না পায়!
এটাই ছিলো আমার প্ল্যান! শুধুমাত্র শহরে আসার জন্যই এতোদিন আকাশের সাথে প্রেম করেছিলাম! কারন আমি জানতাম শুধুমাত্র আকাশ ই পারে আমাকে শহরে নিয়ে আসতে! এই শহরে আসার জন্য আকাশকে সব রকম ভাবে খুশি রেখেছিলাম! অবশেষে আমি সফল হয়েছি! আমি শহরে চলে এসেছি! এখন যাবো আমার বাবার কাছে! বাবার সাথে দেখা করার জন্যই আমি শহরে এসেছি!