(এনিলা) নিজেকে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে আজকেও চলে এসেছি লাল-বাবু আবাসিক হোটেলে। এই লাল-বাবু হোটেল সম্পর্কে যারা জানেন না, তাদের বলতে চাই, ভুলেও এই হোটেলে রাতের বেলা আসবেন না! কারন রাতের বেলা এখানে আসলেই আপনি হারিয়ে যাবেন অন্যরকম এক রঙিন দুনিয়ায়! হাঁ হাঁ হাঁ…
(এনিলা) আমার মতো আরো অনেক সুন্দরী মেয়ে চলে এসেছে এই লাল-বাবু হোটেলে। সবাই হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে! ভালোবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করছে! কারন আমরা সবাই টাকার বিনিময়ে ভালোবাসা বিক্রি করি! পয়সাওয়ালা পুরুষ মানুষদের খুশি করাই তো আমাদের কাজ! হি হি হি…
(এনিলা) রাত যতো গভীর হতে থাকে, এই লাল-বাবু হোটেল ততো জম-জমাট হতে থাকে। অনেক নামী-দামী মানুষ এখানে আসে আমার মতো সুন্দরী মেয়েদের সাথে ফুর্তি করার জন্য! সবাই বলে, এই জায়গাটা নাকি অনেক খারাপ! এখানে নাকি ভদ্র মানুষেরা আসে না! এই কথাটা কিন্তু একেবারেই ভুল!
(এনিলা) খেয়াল করলাম একটা ভি-আই-পি গাড়ি আস্তে-আস্তে লাল-বাবু হোটেলের দিকে এগিয়ে আসছে। এই গাড়িটা আমার পরিচিত। আর গাড়ির ভেতরে বসে থাকা মানুষটাও আমার পরিচিত। এটা রতন সাহেবের গাড়ি। প্রায় ৬০ বছর বয়সী রতন সাহেব মাঝে-মাঝেই এখানে আসেন ফুর্তি করার জন্য!
(এনিলা) গাড়ি থেকে নেমে রতন সাহেব আমার সামনে এসে দাড়ালো! সে কিন্তু কোনো সাধারণ মানুষ না! অনেক বড় মাপের একজন ব্যবসায়ী! আমাদের সমাজের সবাই তাকে ভদ্র মানুষ হিসেবেই চেনে। কিন্তু এই ভদ্র মানুষগুলোই রাতের আধারে মুখ ঢেকে এই লাল-বাবু হোটেলে চলে আসে ফুর্তি করার জন্য!
(এনিলা) টাকা ভর্তি একটা ব্যাগ রতন সাহেব আমার সামনে এগিয়ে দিলো। এর মানে আজ রাতে রতন সাহেব আমার কাছ থেকে প্রিমিয়াম ভালোবাসার সার্ভিস নিবে। টাকার পরিমান যতো বেশি হয়, সার্ভিস ও ততো প্রিমিয়াম হয়। রতন সাহেব ভি-আই-পি মানুষ, তাই ভি-আই-পি সার্ভিস লাগবে। সে আমাকে বললো
রতন: তোকে কিন্তু আজকে অনেক সুন্দর লাগছে রে এলিনা! ভেবেছিলাম অন্য কারো সাথে আজকের রাত টা কাটাবো। কিন্তু গাড়ি থেকে নেমেই তোর দিকে নজর পরলো। তুই তো আজকে অনেক সুন্দর ভাবে সেজেছিস! এখন ভেতরে গিয়ে আমার জন্য একটা ভি-আই-পি রুমের ব্যবস্থা করে ফেল।
এনিলা: যখন তোমার গাড়িটা রাস্তা ভুল করে এই লাল-বাবু হোটেলের সামনে এসে থেমেছে, তখন ই আমি ভেতরে বলে দিয়েছি তোমার জন্য একটা ভি-আই-পি রুম ঠিক করার জন্য! এখন শুধু তোমার ভেতরে যাওয়ার অপেক্ষা। রুমের ভেতরে চলো, তারপর এই এলিনা তোমাকে রঙিন ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিবে
রতন: হাঁ হাঁ হাঁ… এই জন্যই তোকে আমার এতো বেশি ভালো লাগে! তোর সাথে সময় কাটালে মনটা আনন্দে ভরে যায়! তাই তো বার-বার তোর কাছেই ছুটে আসি। যাই হোক, আজকে কিন্তু বেশিক্ষন থাকবো না। কাল সকালে আবার একটা জরুরি মিটিং আছে। ১ ঘন্টা সময় নিয়ে এখানে এসেছি।
এনিলা: তোমার মাথা থেকে পা পর্যন্ত খুশি করার জন্য ১ ঘন্টাই যথেষ্ট! তুমি রুমের ভেতরে গিয়ে লক্ষি ছেলের মতো নরম বিছানায় চুপচাপ শুয়ে পরো গিয়ে। আমি তোমার জন্য প্রিমিয়াম কোয়ালিটির তেল নিয়ে আসছি! আজকে তোমার জিনিসটা প্রিমিয়াম তেল মালিশ করে একেবারে সতেজ করে দেবো।
(এনিলা) রতন সাহেব তো খুশি হয়ে হোটেলের ভেতরে চলে গেলো! এদিকে আমার মাথায় অনেক চিন্তা ঘুর-পাক খাচ্ছে। মাত্র ১ ঘণ্টায় এই বুড়া বেটারে খুশি করবো কিভাবে? এই রতন বুইড়ার জিনিস সোজা হতেই তো ১ ঘন্টা পার হয়ে যায়! তাই আগে তেল মালিশ করে দুর্বল জিনিসটাকে সবল করতে হবে!
(এনিলা) প্রিমিয়াম কোয়ালিটির তেলের কথা শুনে অনেকেই হয়তো ভাবছেন, বিদেশ থেকে আমদানী করা কোনো বিশেষ তেল হবে হয়তো! আরে না, কোনো বিশেষ তেল না! বাজার থেকে সস্তা কিছু তেল নিয়ে এসে সেটাকে আমরা সুন্দর পাত্রে রেখে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির তেল বলে চালিয়ে দেই।
(এনিলা) তেল নিয়ে চলে এসেছি রুমের ভেতরে। রতন সাহেব অগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছিলো আমার তেল মালিশের জন্য। আমার হাতে তেলের পাত্রটা দেখেই তার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে! কারন সে মনে করে এই তেল তার দুর্বল জিনিসটা শক্তিশালী বানায়। কিন্তু আসল কাজ তো করে আমার এই হাত দুটো।
(এনিলা) রতন সাহেবের দুর্বল জিনিসটা আমার হাতে নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি। দু হাতে তেল মাখিয়ে আস্তে-আস্তে হাত চালাচ্ছি। আমার নরম হাতের স্পর্শ পেয়ে রতন সাহেবের জিনিসটা আস্তে-আস্তে সবল হয়ে উঠছে। এই বুইড়া বেটার ১ ইঞ্চি জিনিসটা যদি ৩/৪ ইঞ্চি বড় করতে পারি, তাহলেই কাজ হয়ে যাবে!
(এনিলা) প্রায় ৩ মিনিট তেল মালিশ করার পরে দুর্বল রতন এখন সবল হয়ে উঠেছে। তার ৪ ইঞ্চি শক্তিশালী জিনিসটা এখন আমার সাথে খেলাধুলা করার জন্য একেবারেই প্রস্তুত হয়ে গেছে। রতন সাহেব আর এক মুহূর্ত দেরি না করে খেলা শুরু করে দিলো। এই বয়সে ১০মিনিট খেলাধুলা করাই বিশাল ব্যাপার!
(এনিলা) তারপর প্রায় ২০ মিনিট আমার উপর তান্ডব চলে! এই ২০ মিনিটে আমাকে খুব একটা ক্লান্ত করতে পারেনি। কিন্তু রতন সাহেব ঠিকই ক্লান্ত হয়ে গেছে! বেচারার জন্য আমার মাঝে-মাঝে অনেক কষ্ট হয়! এতো টাকা খরচ করে এখানে আসে, কিন্তু ১৫/২০ মিনিটের বেশি সময় টিকে থাকতে পারে না!
(এনিলা) আমার কাজ শেষ! ১ ঘন্টায় রতন সাহেবকে খুশি করার মিশনে আমি সফল হয়ে গেছি! আমার সাথে ২০ মিনিট খেলাধুলা করেই রতন সাহেব অনেক ক্লান্ত হয়ে গেছে। তাই সে এখন একটু বিশ্রাম নিচ্ছে। আর আমি রিলেক্স মুডে আছি! কাজ শেষ, এখন টাকা নিয়ে তাড়াতাড়ি বাড়িতে যেতে পারবো!
(এনিলা) কিছুক্ষন বিশ্রাম নেয়ার পরে রতন সাহেব তার দামী গাড়িতে উঠে চলে গেলো। আমিও আমার ভাগের টাকা পেয়ে গেছি, তাই আমিও খুশি! রতন সাহেবের মতো কাস্টোমার একজন পেলেই আর অন্য কাস্টোমার দরকার হয় না! নয়তো সারারাত কাজ করতে হয়! প্রতিদিন কম হলেও ৩/৪ জনের সাথে।
(এনিলা) আজকে ১জনকে দিয়েই ভালো টাকা পেয়েছি! আজকে আর অন্য কাস্টোমারের জন্য অপেক্ষা করবো না। এখন বাড়িতে চলে যাবো। তারপর আরাম করে একটা ঘুম দিবো। অনেকদিন রাতে ঘুমানোর সুযোগ পাই না। আজকে ইচ্ছে করছে বাড়িতে গিয়ে শান্তিতে ঘুমাতে। কিন্তু বাড়িতে যাওয়া হবে তো?
(এনিলা) অপরিচিত একজন আমার সামনে এসে দাঁড়ালো! এই লাল-বাবু হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েদের সামনে যদি কোনো পুরুষ মানুষ এসে দাঁড়ায়, এর মানে হচ্ছে সেই ঐ মেয়েটার সাথে সময় কাটাতে চায়। যদিও আজকে নতুন কোনো কাস্টোমারের সাথে সময় কাটানোর ইচ্ছে ছিলো না।
(এনিলা) কিন্তু আমার সামনে যে দাঁড়িয়ে আছে সে একটু অন্যরকম। তাকে দেখে মনেহচ্ছে সে কোনো খারাপ মানুষ না! যদিও এই লাল-বাবু হোটেলে যারা আসে তারা কেউই ভালো মানুষ না। তবুও আমার কেনো যেনো মনেহচ্ছে সে কোনো খারাপ মানুষ না। কৌতুহল নিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম,
এনিলা: তোমাকে তো আগে কখনো এখানে দেখিনি। মনেহচ্ছে এই জায়গায় নতুন এসেছো। পুরুষ মানুষের চেহারা দেখলেই আমি বুঝতে পারি সে কেমন। তোমাকে দেখে মনেহচ্ছে তুমি কোনো খারাপ মানুষ না। আচ্ছা, তুমি কি জেনে-বুঝে এখানে এসেছো? নাকি ভুল করে এখানে চলে এসেছো?
শুভ: আমি শুভ, তোমার সাথে একটু কথা বলতে চাই। আমাকে একটু সময় দেয়া যাবে?
এনিলা: অবশ্যই সময় দেয়া যাবে! আমাদের মতো সুন্দরী মেয়েরা তো তোমাদের মতো পুরুষদের সময় দেয়ার জন্যই এই গভীর রাতে এখানে চলে আসে। তবে এখানে সবকিছুর জন্যই টাকা দিতে হয়। ১ ঘন্টা মাত্র ৫ হাজার টাকা! আর যদি ভি-আই-পি সার্ভিস চাও, তাহলে কিন্তু টাকা ডাবল দিতে হবে!
শুভ: ভি-আই-পি সার্ভিস লাগবে না। আমি শুধুমাত্র তোমার সাথে একটু কথা বলতে চাই। আর চিন্তা করো না, পুরো ৫ হাজার টাকাই পাবে।
(এনিলা) ছেলেটার কথাগুলো শুনে আমি ভেতর থেকে কেমন যেনো একটা আকর্ষণ অনুভব করছি! আর এটা পরিষ্কার বুঝতে পারছি যে ছেলেটা আজকেই প্রথমবার এখানে এসেছে। যদিও আজ রাতে নতুন কারো সাথে সময় কাটানোর ইচ্ছা ছিলো না, কিন্ত ছেলেটাকে ভালো লেগেছে। তাই রাজি হয়ে গেলাম!
(এনিলা) ছেলেটা এখনো বোকার মতো হোটেলের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। ও মনেহয় জানে না, কথাবার্তা হয়ে গেলে হোটেলের ভেতরে যেতে হয়। আমার তো মনে-মনে অনেক হাসি পাচ্ছে ছেলেটাকে নিয়ে। আমার তো মনেহচ্ছে ছেলেটা এর আগে কোনো মেয়ের সাথে একাকি সময় কাটায়নি। ওকে বললাম,
এনিলা: কি হয়েছে গো? এখানে দাঁড়িয়ে আছো যে? রুমের ভেতরে যাবে না? তুমি তো এখানে নতুন, তাই এখানকার নিয়ম জানো না। এখানে কোনো মেয়েকে পছন্দ হলে সোজা চলে যেতে হয় হোটেলের ভেতরে। তুমি যদি এখন হোটেলের ভেতরে না যাও, তাহলে অন্য কেউ এসে আমাকে নিয়ে নিতে পারে!
শুভ: তাই নাকি! তাহলে তাড়াতাড়ি ভেতরে চলো। আমার শুধুমাত্র তোমাকেই লাগবে!
(এনিলা) ছেলেটা তাড়াতাড়ি হোটেলের ভেতরে চলে গেছে! সে আমাকে কিছু সময়ের জন্য নিজের করে নিতে চায়। ভেতরে গিয়ে যখন আমার নাম লেখাবে, তখন ছেলেটা আমাকে পাবে। আর তারপর আমি ছেলেটাকে নিয়ে হোটেলের একটা রুমের ভেতরে ঢোকার অনুমতি পাবো। এটাই এখানকার নিয়ম!
(এনিলা) নিয়ম-কানুন শেষ করে ছেলেটাকে নিয়ে চলে এসেছি একটা ভি-আই-পি রুমের ভেতরে। যদিও ছেলেটা ভি-আই-পি সার্ভিস চায়নি, কিন্তু আমি নিজেই ছেলেটাকে ভি-আই-পি রুমে নিয়ে এসেছি। কারন ছেলেটাকে আমার অনেক মনে ধরেছে। তাই নিজের টাকা খরচ করে ভি-আই-পি রুম নিয়েছি।
(এনিলা) কিন্তু ছেলেটা এখনো আমার থেকে অনেক দূরে দাঁড়িয়ে আছে! এই প্রথমবার এমন কোনো ঘটনা ঘটলো আমার সাথে। নয়তো রুমের দরজা বন্ধ করার সাথে-সাথেই কাস্টোমারগুলো আমার উপরে ঝাপিয়ে পরে। এই ছেলেটা একেবারেই আলাদা। আমি মুচকি হেসে ছেলেটাকে বললাম,
এনিলা: রুমের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এখন আমার কাছে আসতে পারো। তোমার যা ইচ্ছা সেটাই করতে পারো আমার সাথে। কোনো বাঁধা নেই। এখন তুমি ই বলো, কিভাবে শুরু করবে? তুমি চাইলে তেল মালিশ করা থেকে শুরু করতে পারো। আমার নরম দুটো হাত দিয়ে তোমার জিনিসে তেল মালিশ করাবে?
শুভ: আরে না, তুমি ভুল ভাবছো! আমি শুধুমাত্র তোমার সাথে একটু কথা বলতে এসেছি। এর বেশি কিছুই না!
এনিলা: তোমার মতো আজব পুরুষ মানুষ এই জীবনে আর একটাও দেখিনি আমি! ৫ হাজার টাকা খরচ করে শুধুমাত্র কথা বলতে এসেছো! এটা আগে বললেই পারতে! তাহলে তো আর তোমার ৫ হাজার টাকা নষ্ট করতাম না। আমি তো তোমাকে ভালো সার্ভিস দিবো বলে ভি-আই-পি রুমে নিয়ে এসেছি।
শুভ: আমি তো আগেই বলেছিলাম, তোমার সাথে একটু কথা বলতে চাই।
এনিলা: তোমার নামটা কি যেনো বলেছিলে? শুভ, তাই না? প্রতিদিন তোমার মতো কতো শুভ এখানে আসে, কিন্তু তুমি তো দেখছি সবার চেয়ে আলাদা। যাই হোক, তুমি যেহেতু আমার হাতের তেল মালিশ টাও নিবে না, তাহলে আর এই বন্ধ রুমের ভেতরে থেকে কি লাভ? চলো, বাইরে মুক্ত বাতাসে যাই!
(এনিলা) শুভকে নিয়ে হোটেল থেকে বের হয়ে রাস্তায় চলে এসেছি। আশেপাশে লোকজন নেই, একেবারেই নির্জন চারপাশ। রাস্তায় কোন গাড়িও দেখা যাচ্ছে না। দুজনে এই নির্জন রাস্তায় হাঁটছি। খুব ভালো লাগছে। হোটেল থেকে দূরে চলে আসার পরে শুভ আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো,
শুভ: আমি তোমাকে ১ কোটি টাকা দেবো। তবে এর বিনিময়ে আমাকে রতন সাহেবের ব্যাপারে তথ্য দিতে হবে।
(40) (এনিলা) হঠাৎ শুভর মুখে এই কথা শুনে আমি একেবারে হতবাক হয়ে গেলাম! আমাকে ১ কোটি টাকা দিতে চাইছে! তাছাড়া রতন সাহেবের ব্যাপারে কি তথ্য দেবো আমি? সে তো আমার কাছে আসে, ফুর্তি করে, তারপর চলে যায়। শুভ মনেহয় মজা করছে! আমিও একটু মজা করেই শুভকে জিজ্ঞেস করলাম,
এনিলা: কি জানতে চাও রতন সাহেবের ব্যাপারে? রতন সাহেবের জিনিস কতো ইঞ্চি সেটা জানতে চাও, নাকি রতন সাহেব আমার সাথে কতো মিনিট বিছানা কাঁপাতে পারে সেটা জানতে চাও? এইসব জানার জন্য আমাকে ১ কোটি টাকা দেয়া লাগবে না। ফ্রিতেই আমি তোমাকে এইসব তথ্য দিয়ে দিবো।
শুভ: মজা করছো, তাই না? আমি কিন্তু একটা সিরিয়াস ব্যাপার নিয়ে তোমার সাথে আলোচনা করছি।
এনিলা: মজা তো তুমি করছো আমার সাথে। আমি তোমাকে রতন সাহেবের ব্যাপারে কি তথ্য দেবো? সে মাঝে-মাঝে আমার কাছে আসে। আবার মাঝে-মাঝে অন্য মেয়েদের কাছেও যায়। সে শুধুমাত্র ফুর্তি করতেই আসে। তাছাড়া লাল-বাবু হোটেল ছাড়া আর অন্য কোথাও রতন সাহেবের সাথে দেখা হয় না!
শুভ: সেটা অবশ্য ঠিকই বলেছো। এখন দেখা হয় না, কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি তুমি রতন সাহেবের কাছে মানুষ হতে যাচ্ছো। আশা করি তুমি আমার প্রস্তাবে রাজি হবে। কারন তুমি যদি আমার প্রস্তাবে রাজি হও তাহলে তোমার ছোট ভাই নীলকে জেল থেকে মুক্ত করে দেয়া হবে।
এনিলা: তুমি সত্যি বলছো? আমি যদি তোমাকে রতন সাহেবের ব্যাপারে সব তথ্য দেই তাহলে সত্যিই আমার ছোট ভাই নীলকে মুক্তি দেয়া হবে? তুমি যদি সত্যিই আমার ছোট ভাই নীলকে মুক্ত করে দাও, তাহলে অবশ্যই তুমি যা বলবে আমি সেটাই করবো। আমি তোমার সব প্রস্তাবে রাজি আছি!
শুভ: ঠিকাছে, এখন তোমাকে কিছুই করতে হবে না। এতোদিন যেভাবে ছিলে, সেভাবে চলতে থাকো। নিয়মিত লাল-বাবু হোটেলে আসা-যাওয়া করতে থাকো। কেউ যেনো তোমাকে সন্দেহ করতে না পারে। আর তোমার ব্যাংক একাউন্টে ১ কোটি টাকা আজ রাতের মধ্যেই ট্রান্সফার হয়ে যাবে।
(এনিলা) কথাবার্তা শেষে শুভ চলে গেছে। আমিও আমার বাড়িতে চলে এসেছি। শুভ তো নিজের ব্যাপারে কিছুই বললো না। কিন্তু আমার ব্যাপারে ও সবকিছু জানে। কিন্তু শুভ কেনো রতন সাহেবের উপরে গোপনে নজর রাখতে চাইছে? শুভ কি রতন সাহেবের শত্রু পক্ষের লোক? হয়তো সেটাই হবে!
(এনিলা) হঠাৎ আমার মোবাইলে আসা একটা ম্যাসেজ দেখে আবারো হতবাক হয়ে গেলাম! আমার ব্যাংক একাউন্টে ১ কোটি টাকার একটা ফান্ড ট্রান্সফার করা হয়েছে! তার মানে শুভ সত্যিই আমার ব্যাংক একাউন্টে ১ কোটি টাকা পাঠিয়েছে! তার মানে শুভ যা বলেছে সব সত্যি! কিন্তু কে এই শুভ?